• Home
  • About
    • Speech
    • History
    • Achievements
  • Academic
    • Apply Online
    • Academic Calender
    • Academic Rules
    • Teachers & Staff
    • Class Schedule
  • Student
    • Tution Fees
    • Our Student
    • Student Uniform
    • Exam Schedule
    • Daily Activities
    • Mobile Banking
  • Result
  • Notice
  • News
  • Photo Gallery
  • Contact Us
  • Login
Previous Next
সাম্প্রতিক :
** ষষ্ঠ শ্রেণি ২০২৫ সালের শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ও টাইফয়েড টিকার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান। ১লা সেপ্টেম্বরে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু, ওয়েবসাইটের কাজ চলমান সাথে থাকুন। ধন্যবাদ সবাইকে

Search Student
Routine
Result
Apply Online
Our Teachers
Our Staffs

প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ও ইতিহাস

মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা ১৮৮৯ সালে উত্তর বায়নগর বর্তমান হাটখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯৭৫ইং ১৭ মার্চ মৃত্যু বরণ করেন। তার পিতার নাম- জহির উদ্দিন। ছাত্র জীবনে গোমতা মাদ্রাসা ও চান্দিনা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা কর্মজীবনে দৌলতপুর জমিদার বাড়ীতে ম্যানেজারের চাকুরী করেন। পরবর্তী সময়ে বৃটিশ সরকার হতে বায়নগর/লখাইতলী মৌজার জমিদারী ক্রনয় করেন। তখনই তিনি উত্তর বায়নগররের এই অংশের নাম করেন হাটখোলা। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি জামদারী পরিচালনা করেন। সে আমলে হাতে গোনা মুসলিম জমিদার এর মধ্যে এই অঞ্চলে তিনি অগ্রগণ্য। তিনি প্রায় ৪০ বছর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। এ সময় তিনি ইউনিয়নের সদস্য, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও পালন করেন। দৌলতপুর হইতে মোহাম্মদপুর ভায়া হাটখোলা রাস্তায় দৌলতপুর-হাটখোলা অংশটি তিনি নিজ খরচে নির্মাণ করেন। রাস্তা নির্মাণে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সম্মুখীন হন কিন্তু পিছ পা হননি। তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বহু রাস্তা, পুল নির্মাণ করেন। ১৩১১ বাংলা সনে হাটখোলা গ্রামে নিজ বাড়িতে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করেন এবং বসবাসের জন্য বিরাট পাকা ভবন নির্মাণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, ধার্মিক, ন্যায় পরায়ণ, পরোপকারী ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি সংস্কৃতিমনা ছিলেন। শিক্ষা সাংস্কৃতি ও খেলাধুলা প্রসারে তাঁর নাম স্বমহিমায় চির উজ্জ্বল। নিজ বাড়িতে বছরে একবার হলেও নাটক, যাত্রা, পালাগান উৎসবের আয়োজন করতেন। তৎকালীন সময়ে তিনি কলকাতা থেকে ছেলে মেয়েদের জন্য গ্রামোফোন, হারমোনিয়াম নিয়ে এসে গান চর্চা করার ব্যবস্থা করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞার শিকারের প্রতি নেশা ছিল। মাঝে মধ্যে তিনি নিজের বন্দুক দিয়ে শখ করে শিকার করতেন। তিনি তাঁর নিজের ছেলেদের ইলিয়টগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হন এবং সমস্যার কারণে মেজ ছেলে আলী হোসেন ভূঁইয়াকে ইলিয়টগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বরকোটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করান। দাউদকান্দি উপজেলায় বৃহত্তর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩৩টি গ্রামে কোন উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার দরিদ্র অবহেলিত ছেলে মেয়েদের কথা চিন্তা করে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ীতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
১৯৪০ দশকে নিজ বাগান বাড়ীতে প্রথমে পাঠশালা চালু করেন এবং পারিবারিক আপত্তির কারণে পাঠশালাটি বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর চিন্তা চেতানায় বিদ্যালয় স্থাপনের স্বপ্নটি লালন করতে থাকেন। ১৯৫০ দশকের গোড়ার দিকে আবার নিজ বাগান বাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করেন। দুঃখের বিষয় কয়েক বছর পর পারিবারিক অসহযোগিতার কারণে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। তবুও তিনি বসে থাকেননি। ১৯৬২ইং সালে তাঁর সুযোগ্য পুত্র আলী হোসেন ভূঁঞার সহযোগিতায় হাটখোলা নিজ বাড়িতে প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালু করেন এবং মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৩ শতক জমি দান করেন। অনেক চেষ্টার ফলে ১৯৬৮ইং সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরকারি স্বীকৃতি লাভকরে। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা হাটখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অনুপ্রেরণায় ১৯৬৮ইং সালে তাঁর সুযোগ্য সন্তান শিক্ষানুরাগী আলী হোসেন ভূঁঞা কর্তৃক উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রথমে নিজ বাগান বাড়ীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী চালু করেন। তৎকালীন সময় মৌলভী মোঃ আব্দুল ওয়াছেক ভূঁঞা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা হাটখোলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভাবে সহযোগিতা করেন এবং উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য ১.২০ শতক জমি দান করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ইং সালে জুনিয়র এবং ১৯৭৩ইং সালে উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করেন এবং বিদ্যালয়টি মঞ্জুরী লাভ করে। ঐ বছরই বিদ্যালয় থেকে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় হাটখোলা নিজ বাগান বাড়ীতে দৈনিক আড়ং ও সাপ্তাহিক হাট চালু করেন। কৌশল গত কারণে বিদ্যালয়টি বাজার সংলগ্ন হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পও স্থাপিত হয়। ১৯৭০ সালে তাঁর পুত্র আলী হোসেন ভূঁঞা কর্তৃক ডাকঘর স্থাপনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি হাটখোলা সরকারি প্রাইমারী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৮খ্রিঃ হইতে ১৯৭৩খ্রিঃ) সভাপতি ছিলেন। তিনি ২২ নং ইউনিয়ন কাউন্সিল বেঞ্চের নিয়মিত সদস্য এবং কুমিল্লা কোর্টের জুড়ীবোর্ডে\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'র দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৫ পুত্র ও ৫ কন্যার জনক। তাঁর পুত্রগণ সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং জনহিতকর কাজের সহিত সম্পৃক্ত।
বিস্তারিত
/
প্রধান শিক্ষক মহোদয়ের বাণী

প্রিয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম ও শুভেচ্ছা।


শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, সমাজকে করে সচেতন এবং জাতিকে নিয়ে যায় উন্নতির শিখরে। হাটখোলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
দাউদকান্দি, কুমিল্লা।—একটি স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান, যেখানে আমরা শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে নয়, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতাতেও সমানভাবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট।


আমরা বিশ্বাস করি, একটি আদর্শ সমাজ গঠনের জন্য সুশিক্ষার বিকল্প নেই। এ প্রতিষ্ঠানে...

বিস্তারিত
প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ও ইতিহাস
মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা ১৮৮৯ সালে উত্তর বায়নগর বর্তমান হাটখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯৭৫ইং ১৭ মার্চ মৃত্যু বরণ করেন। তার পিতার নাম- জহির উদ্দিন। ছাত্র জীবনে গোমতা মাদ্রাসা ও চান্দিনা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা কর্মজীবনে দৌলতপুর জমিদার বাড়ীতে ম্যানেজারের চাকুরী করেন। পরবর্তী সময়ে বৃটিশ সরকার হতে বায়নগর/লখাইতলী মৌজার জমিদারী ক্রনয় করেন। তখনই তিনি উত্তর বায়নগররের এই অংশের নাম করেন হাটখোলা। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি জামদারী পরিচালনা করেন। সে আমলে হাতে গোনা মুসলিম জমিদার এর মধ্যে এই অঞ্চলে তিনি অগ্রগণ্য। তিনি প্রায় ৪০ বছর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। এ সময় তিনি ইউনিয়নের সদস্য, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও পালন করেন। দৌলতপুর হইতে মোহাম্মদপুর ভায়া হাটখোলা রাস্তায় দৌলতপুর-হাটখোলা অংশটি তিনি নিজ খরচে নির্মাণ করেন। রাস্তা নির্মাণে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সম্মুখীন হন কিন্তু পিছ পা হননি। তিনি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বহু রাস্তা, পুল নির্মাণ করেন। ১৩১১ বাংলা সনে হাটখোলা গ্রামে নিজ বাড়িতে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করেন এবং বসবাসের জন্য বিরাট পাকা ভবন নির্মাণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, ধার্মিক, ন্যায় পরায়ণ, পরোপকারী ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি সংস্কৃতিমনা ছিলেন। শিক্ষা সাংস্কৃতি ও খেলাধুলা প্রসারে তাঁর নাম স্বমহিমায় চির উজ্জ্বল। নিজ বাড়িতে বছরে একবার হলেও নাটক, যাত্রা, পালাগান উৎসবের আয়োজন করতেন। তৎকালীন সময়ে তিনি কলকাতা থেকে ছেলে মেয়েদের জন্য গ্রামোফোন, হারমোনিয়াম নিয়ে এসে গান চর্চা করার ব্যবস্থা করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞার শিকারের প্রতি নেশা ছিল। মাঝে মধ্যে তিনি নিজের বন্দুক দিয়ে শখ করে শিকার করতেন। তিনি তাঁর নিজের ছেলেদের ইলিয়টগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হন এবং সমস্যার কারণে মেজ ছেলে আলী হোসেন ভূঁইয়াকে ইলিয়টগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বরকোটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করান। দাউদকান্দি উপজেলায় বৃহত্তর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩৩টি গ্রামে কোন উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার দরিদ্র অবহেলিত ছেলে মেয়েদের কথা চিন্তা করে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ীতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
১৯৪০ দশকে নিজ বাগান বাড়ীতে প্রথমে পাঠশালা চালু করেন এবং পারিবারিক আপত্তির কারণে পাঠশালাটি বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর চিন্তা চেতানায় বিদ্যালয় স্থাপনের স্বপ্নটি লালন করতে থাকেন। ১৯৫০ দশকের গোড়ার দিকে আবার নিজ বাগান বাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করেন। দুঃখের বিষয় কয়েক বছর পর পারিবারিক অসহযোগিতার কারণে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। তবুও তিনি বসে থাকেননি। ১৯৬২ইং সালে তাঁর সুযোগ্য পুত্র আলী হোসেন ভূঁঞার সহযোগিতায় হাটখোলা নিজ বাড়িতে প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালু করেন এবং মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৩ শতক জমি দান করেন। অনেক চেষ্টার ফলে ১৯৬৮ইং সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরকারি স্বীকৃতি লাভকরে। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা হাটখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অনুপ্রেরণায় ১৯৬৮ইং সালে তাঁর সুযোগ্য সন্তান শিক্ষানুরাগী আলী হোসেন ভূঁঞা কর্তৃক উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রথমে নিজ বাগান বাড়ীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী চালু করেন। তৎকালীন সময় মৌলভী মোঃ আব্দুল ওয়াছেক ভূঁঞা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা হাটখোলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভাবে সহযোগিতা করেন এবং উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য ১.২০ শতক জমি দান করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ইং সালে জুনিয়র এবং ১৯৭৩ইং সালে উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করেন এবং বিদ্যালয়টি মঞ্জুরী লাভ করে। ঐ বছরই বিদ্যালয় থেকে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। মৌঃ রোস্তম আলী ভূঁঞা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় হাটখোলা নিজ বাগান বাড়ীতে দৈনিক আড়ং ও সাপ্তাহিক হাট চালু করেন। কৌশল গত কারণে বিদ্যালয়টি বাজার সংলগ্ন হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পও স্থাপিত হয়। ১৯৭০ সালে তাঁর পুত্র আলী হোসেন ভূঁঞা কর্তৃক ডাকঘর স্থাপনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি হাটখোলা সরকারি প্রাইমারী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৬৮খ্রিঃ হইতে ১৯৭৩খ্রিঃ) সভাপতি ছিলেন। তিনি ২২ নং ইউনিয়ন কাউন্সিল বেঞ্চের নিয়মিত সদস্য এবং কুমিল্লা কোর্টের জুড়ীবোর্ডে\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'র দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৫ পুত্র ও ৫ কন্যার জনক। তাঁর পুত্রগণ সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং জনহিতকর কাজের সহিত সম্পৃক্ত।
বিস্তারিত
/
সভাপতি মহোদয়ের বাণী
আসসালামু আলাইকুম। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড-এই বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করে হাটখোলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় শুরু থেকেই আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষার মানোন্নয়নে ডিজিটাল যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ওয়েবসাইট উদ্বোধনের মাধ্যমে আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যাবলি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক তথ্য সহজেই অভিভাবক, ছাত্রছাত্রী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে পৌঁছে যাবে-এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। আমি আশা করি, এই ওয়েবসাইট হবে বিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন ও উন্নত চরিত্র গঠনে অনুপ্রেরণা যোগাবে। সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, যাঁদের সহযোগিতায় এই অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এই বিদ্যালয় আরও সমৃদ্ধ হোক এবং জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখুক। আমাদের ওয়েবসাইট প্রস্তুত হচ্ছে  জেনে আমি খুবই আনন্দিত। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচিতি ও সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আমি মনে করি। আশা করি, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমটি তথ্যবহুল হবে এবং আপডেট থাকবে। ওয়েবসাইট প্রস্তুতকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আলোকিত মানুষ হয়ে দেশ ও জনগণের সেবক হিসেবে গড়ে উঠুক এবং তাদের পথ চলা হোক সত্য, সুন্দর, কল্যাণ ও আলোর পথে। সবার জন্য আমার শুভ কামনা। সভাপতি, আনোয়ার ফারুক, হাটখোলা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
বিস্তারিত

Students

Teachers

Attendance

Result

Routine

Syllabus

Academic Calendar

Photo Gallery

Download

News

Notice

Career Opportunity

সর্বশেষ সংবাদ

ষষ্ঠ শ্রেণি ২০২৫ সালের শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ও টাইফয়েড টিকার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান। ১লা সেপ্টেম্বরে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু, ওয়েবসাইটের কাজ চলমান সাথে থাকুন। ধন্যবাদ সবাইকে

26 Aug 2025. 04:53 pm

   Notice Board

  • 6-10 - Candidate 2022 Assinemnt (5th Week) 08 Mar, 2022
  • SSC-2022 Candidate Assignment (14th Week) 08 Mar, 2022
  • Revised Short Syllabus for SSC Examination 2022(Bangla 2nd paper,English 1st and 2nd paper) 03 Mar, 2022
  • 51th International Letter Writing Competition-2022 02 Mar, 2022
  • NOC 15 Sep, 2022
  • SSC-2022 Candidate Assignment (15th Week) 12 Mar, 2022
  • SSC-2022 Candidate Assignment (13th Week) 08 Mar, 2022
More...

Important Links

Comilla Education Board
Chittagong Divisional Portal
Ministry of Education
Secondary Education Department
BD National Portal
Campus News
Access to Information (a2i)
DSHE

Gallery

See More

Stay with Us

     

It Partner - বর্ণমালা, ০১৬৩৩-৫১৬৪০০

ঠিকানা

“গুনগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে আমাদের সামগ্রিক প্রয়াস। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল শিক্ষা সবার আগে।

যোগাযোগ

মোবাঃ +8801309105524
ই-মেইল: hatkholahighschool@yahoo.com
ওয়েবসাইট: www.hatkholamlhs.edu.bd
Copyright 2025 @ ....................
Developed by MS3 Technology BD Pvt. Ltd